নিয়মনীতি

Text size A A A
Color C C C C

শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ উপদেশাবলিঃ

শুধুমাত্র পড়াশুনায় ভাল হলেই কেউ ভাল ছাত্র-ছাত্রী হয়না। ভাল ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা আরও ব্যাপক। বিদ্যালয়ের শান্তি শৃঙ্খলাসহ পূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে নৈতিকতা, সামাজিক, ধর্মীয় শিক্ষা লাভ, সত্য সুন্দরের অনুশীলন, অন্যায় ও অসৎ কে বর্জন করে চারিত্রিক উৎকর্ষতা অর্জনই একজন ছাত্র-ছাত্রীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।

(ক) নিয়মানুবর্তিতাঃ

  • একমাত্র স্বাস্থ্যগত বিশেষ কারন ছাড়া স্কুলে অনুপস্থিত থাকা যাবেনা। স্বাস্থ্যগত কারনে অনুপস্থিত থাকলে অভিভাবকের সুপারিশ সম্বলিত দরখাস্তের মাধ্যমে, তা প্রধান শিক্ষক কে অবগত করতে পারবে।
  •  বিদ্যালয়ে থাকাকালীন অর্ধ দিবস ছুটির প্রয়োজন হলে শ্রেণী শিক্ষকের সুপারিশসহ ছুটি নিতে হবে।
  • পূর্বাহ্ণে দরখাস্তে অনুমতি গ্রহন ব্যাতিরেকে ছাত্রছাত্রী বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকবেনা।

(খ) আচরণঃ

  • সহপাঠীদের প্রতি হৃদ্যতাপূর্ণ ব্যাবহার করতে হবে। উপরের শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ এবং নীচের শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের প্রতি সহানুভূতিশীল ও স্নেহ পরায়ন হবে।
  • প্রত্তেক শিক্ষার্থীকে তার সকল শিক্ষক শিক্ষিকাকে যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। এবং তাদের আদেশ নিশেধ ও উপদেশ মেনে চলতে হবে।
  • প্রত্যেক ছাত্রছাত্রী নিজ নিজ শ্রেণীর নেতা-নেত্রীর আদেশ মেনে চলবে। শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে কোন ছাত্রছাত্রী শ্রেণীকক্ষ ত্যাগ করবে না।

প্রমোশনের নীতিমালাঃ

(ক) সমগ্র শিক্ষাবর্ষ দুইটি পর্বে বিভক্ত থাকবে। প্রতি পর্বে একটি চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি পর্বের চূড়ান্ত পরীক্ষায় সকলকে বাধ্যতামূলক অংশগ্রহণ করতে হবে।
(খ) দুই পরীক্ষায় বিষয়ভিত্তিক গড় নম্বরের ভিত্তিতে পাশ/ ফেল এবং শ্রেণিতে মেধাস্থান নির্ধারণ করা হবে।
(গ) দুই পরিক্ষার গড়ে এক/ একাধিক ফেল কিন্তু বার্ষিক পরীক্ষায় সকল বিষয়ে পাশ এমন ছাত্র ছাত্রীকে পরবর্তী উচ্চতর শ্রেণিতে প্রমোশন দেয়া হবে। তবে শ্রেণিতে কোন মেধাস্থান দেয়া হবে না।
(ঘ) ষাণ্মাসিক চলাকালীন পরীক্ষার এক/ একাধিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করলে, তাদের ক্ষেত্রে গড় নম্বরের সুবিধা প্রযোজ্য হবে না। বার্ষিক, নির্বাচনি পরীক্ষার সকল বিষয়ে পাশ হলে- তাদেরকে প্রমোশন দেয়া হবে না।
(ঙ)বার্ষিক/ নির্বাচনি পরীক্ষায় এক/ একাধিক বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করতে পারলে, এক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত কারণ উপস্থাপন করলে তাদের প্রমোশন বিবেচনার জন্য গড় নম্বরের সুবিধা দেয়া হবে। অর্থাৎ পরীক্ষায় অনুপস্থিত বিষয়ে গড় নম্বরে পাশ হলে, তাদেরকে পরবর্তী উচ্চতর শ্রেণিতে প্রমোশন দেয়া হবে। তবে শ্রেণিতে কোন মেধাস্থান দেয়া হবে না।
(চ) অন্য ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড বিদ্যালয় হতে ছাড়পত্রের মাধ্যমে ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রিদের ফলাফলের ক্ষেত্রে পূর্বের বিদ্যালয়ের ফলাফল বিবেচনা করা হবে। তবে তাদের ফলাফলে কোন ঘষামাজা চলবে না।

বিদ্যালয়ের পোশাক সঙ্ক্রান্ত নিয়মাবলিঃ

শ্রেণী

পোশাক

বালক ছোট (শিশু – ৫ম)

(ক) সাদা শার্ট [শোল্ডার যুক্ত ও ঢাকনা সহ দুই পকেট] (খ) নেভি ব্লু হাফ প্যান্ট (গ) কালো বেল্ট (ঘ) সাদা কেডস (ঙ) সাদা মোজা (চ) গাড় নীল সোয়েটার [শীতকালীন পোশাক] (ছ) বিদ্যালয় ব্যাজ (জ) নেম ট্যাঁক [বাদামী রঙের উপর কালো লেখা]

বালিকা (শিশু – ৪র্থ)

(ক) হাফ প্যান্ট (খ) আকাশী নীল ফ্রক [শর্ট কালার] (গ) আকাশী নীল কাপড়ের বেল্ট (ঘ) সাদা কেডস (ঙ) সাদা মোজা (চ) লাল সোয়েটার [শীতকালীন পোশাক] (ছ) বিদ্যালয় ব্যাজ (জ) নেম ট্যাঁক [বাদামী রঙের উপর কালো লেখা] (ঝ) সাদা স্কার্ফ (ঞ) চুলের সাদা ফিতা (ট) কালো ক্লিপ

বালক (বড় – ১০ম)

(ক) সাদা শার্ট [শোল্ডার যুক্ত ও ঢাকনা সহ দুই পকেট] (খ) নেভি ব্লু প্যান্ট [কুঁচি ক্রস পকেট] (গ) কালো বেল্ট (ঘ) সাদা কেডস (ঙ) সাদা মোজা (চ) গাড় নীল সোয়েটার [শীতকালীন পোশাক] (ছ) বিদ্যালয় ব্যাজ (জ) নেম ট্যাঁক [বাদামী রঙের উপর কালো লেখা]

বালিকা (৫ম – ১০ম)

(ক) সাদা পায়জামা (খ) আকাশী নীল কামিজ [কালো লেখা] (গ) আকাশী নীল কাপড়ের বেল্ট (ঘ) সাদা কেডস (ঙ) সাদা মোজা (চ) লাল সোয়েটার [শীতকালীন পোশাক] (ছ) বিদ্যালয় ব্যাজ (জ) নেম ট্যাঁক [বাদামী রঙের উপর কালো লেখা] (ঝ) সাদা স্কার্ফ (ঞ) চুলের সাদা ফিতা (ট) কালো ক্লিপ (ঠ) সাদা দোপাট্টা/ ক্রস বেল্ট

শরীরচর্চা পোশাক (সকলের জন্য) উপরোল্লিখিত সকল পোশাকই সাদা রঙের

বিঃ দ্রঃ সকল ছাত্র (বালক) শীতকালীন সময়ে ফুল শার্ট ও গ্রীষ্মকালীন সময়ে হাফ-শার্ট পরিধান করবে।

এছাড়াও নিম্নক্ত সাধারন নিয়মের প্রতি অবশ্যই লক্ষ রাখতে হবেঃ

  • নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আসতে হবে।
  • পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অবলম্বন করতে হবে।
  • বিদ্যালয় নির্ধারিত ড্রেস পরিধান করে আসতে হবে।
  • হাতের নখ ছোট রাখতে হবে।
  • চুল ছোট রাখতে হবে।